Health

সময় থাকতে লিভারের যত্ন নিন।

সময় থাকতে লিভারের যত্ন নিন।
Sponsored


Sponsored

দেহের সার্বিক সুস্থতায় যকৃত বা লিভারের স্বাস্থ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করে অনেকে অজান্তে লিভারের ক্ষতি করেন, দেখা দেয় ফ্যাটি লিভার সমস্যা।

বছরের শুরুতে জীবনকে নতুন করে সাজানোর প্রতিজ্ঞা করেন প্রায় সবাই। বছরের প্রথম মাস থেকে শরীরচর্চা ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস শুরু করেন কেউ কেউ, যদিও সবার পক্ষে নতুন রুটিন ধরে রাখা সম্ভব হয় না। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের রুটিন ধরে রাখার চেষ্টা করা অত্যন্ত জরুরি। কেননা দীর্ঘ মেয়াদে সুস্থ থাকার জন্য দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো সুরক্ষিত রাখতে হবে।

এর মধ্যে লিভার বা যকৃতের সুস্থতা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রত্যঙ্গটি দেহের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে রয়েছে বিষাক্ত পদার্থ দূর করা, হজমে সহায়তা, দেহের বাড়তি গ্লুকোজ সঞ্চয় করা। রোগ প্রতিরোধেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে এটি।

 


লিভার সুস্থ রাখতে সঠিক নিয়ম মেনে জীবনযাপন করা জরুরি। এর মধ্যে খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরচর্চা  অন্যতম।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

তরুণদের মধ্যে এখন সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ফ্যাটি লিভার ডিজিজ। রোগটি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা।

 

অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার, ফাস্ট ফুড, ভাজাপোড়া, লাল মাংস এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। এর বাইরেও হাড়ের মজ্জা, কলিজা, হাঁস-মুরগির চামড়া, দুধের সর ইত্যাদিতেও অতিরিক্ত চর্বি থাকে। তাই এ ধরনের খাবার বর্জন করা জরুরি। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাক-সবজি, ফলমূল, ডাল ও আঁশযুক্ত খাবার রাখা লিভারের জন্য উপকারী। রান্নায় লবণ ব্যবহার যতটা সম্ভব কমানোর পাশাপাশি খাওয়ার সময় বাড়তি লবণ নেওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।

 

শুধু তরকারিতে যতটুকু লবণ থাকে ততটুকুই যথেষ্ট। খাবারে অতিরিক্ত চিনির পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেট থাকলেও সেটি স্বাস্থ্যের বড় ক্ষতি করতে পারে। কেননা চিনি বা কার্বোহাইড্রেটকে লিভার চর্বিতে রূপান্তর করতে পারে।

 

অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকা জরুরি। এটি লিভারের সবচেয়ে বড় শত্রু। নিয়মিত মদপান করলে লিভার সিরোসিস হতে পারে। মাত্রাতিরিক্ত চিনি থাকায় কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংকও যতটা সম্ভব কম পান করতে হবে, একেবারে বাদ দিতে পারলে সবচেয়ে ভালো। লিভারের কয়েক ধরনের অসুখ, যেমন—ফ্যাটি লিভার। হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাসজনিত লিভার সিরোসিস উপশমে কফি খুব উপকারী।

নিয়মিত শরীরচর্চা

নিজেকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প নেই। ব্যয়ামের ফলে দেহে জমে যাওয়া অতিরিক্ত চর্বি দূর হয় এবং রক্তনালি সচল থাকে। বিশেষত ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসা ও প্রতিরোধে নিয়মিত হাঁটা খুব কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। সপ্তাহে কমপক্ষে পাঁচ দিন জোড় কদমে হাঁটা প্রয়োজন। নিয়মিত হাঁটলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। যাদের ডায়াবেটিস অথবা হৃদরোগ আছে তাদের দেহে রোগের উপসর্গ থাকে নিয়ন্ত্রণে।

Sponsored

Share this article

Related Articles